গ্রামীণ পৈতৃক কর্মশালা
হাতে চালানো যন্ত্রে প্রাচীন বাড়ির কাঠের খিলান, সিন্দুক ও ঐতিহ্যবাহী খাবার টেবিল তৈরি।
চার প্রজন্মের কাঠের কারিগরি
গ্রামের পৈতৃক কাঠের পাঠশালা থেকে আজকের আধুনিক লিভিং আর্ট গ্যালারি।
যে বছর আমাদের প্রপিতামহ প্রথম নিজের হাতে একটি সেগুনের সিন্দুক তৈরি করেছিলেন।
যান্ত্রিক করাত আর কম্পিউটারের যুগে প্রবেশের বহুকাল আগেই আমাদের পূর্বপুরুষরা বুঝতে পেরেছিলেন কাঠের নিজস্ব ভাষা। একটি গাছ কাটার আগে তাঁরা মাটির আর্দ্রতা, কাঠের আঁশের টান এবং বলয়গুলো গভীর মনোযোগে পর্যবেক্ষণ করতেন।
আজও শিকড় সেই পূর্বপুরুষের নিখুঁত ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছে। নিখুঁত কাঠের জয়েন্ট, কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল ছাড়া প্রাকৃতিক তেল ও মোমের প্রলেপে আমরা কাঠকে দীর্ঘস্থায়ী রূপ দিই যাতে তা টিকে থাকে বংশপরম্পরায়।
“কাঠ তাড়াহুড়া পছন্দ করে না। আগে শোনো, তারপর কাটো।”
— দাদার ওয়ার্কশপের দেয়ালে লেখা একটি কথা
তিনটি দশক, একটি পরিবার, একই কাঠের প্রতি শ্রদ্ধা।
হাতে চালানো যন্ত্রে প্রাচীন বাড়ির কাঠের খিলান, সিন্দুক ও ঐতিহ্যবাহী খাবার টেবিল তৈরি।
সেগুন, মেহগনি ও বিরল প্রজাতির কাঠের প্রাকৃতিক সিজনিং এবং প্রাকৃতিক ফিনিশিং-এর নিখুঁত দক্ষতা অর্জন।
পৈতৃক কাঠের ঐতিহ্যের সাথে স্বচ্ছ ওশান ইপোক্সি রেজিন নদী যুক্ত করে আধুনিক ঘরের উপযোগী জীবন্ত শিল্প সৃষ্টি।
এই ইতিহাসের সবচেয়ে নতুন অধ্যায়টি আপনার ঘরে জায়গা করে নিতে পারে।